...

আবারো খুলছে মায়েশিয়ার শ্রমবাজার

আবারো খুলছে মালেশিয়ার শ্রমবাজার
সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো ২০২২ এর জানুয়ারিতে আবারো কর্মী যাওয়া শুরু হবে মালেশিয়ায়।

আবারো খুলছে মালেশিয়ার শ্রমবাজার । অবশেষে মালেশিয়া শ্রমাবাজারের অনিশ্চয়তা কাটতে যাচ্ছে। ডিসেম্বর মাসেই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বাংলাদেশ-মালেশিয়ার মধ্যে। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো ২০২২ এর জানুয়ারিতে আবারো কর্মী যাওয়া শুরু হবে মালেশিয়ায়। মালেশিয়ায় কর্মী প্রেরণে এবার কোন সিন্ডিকেট থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী জনাব ইমরান আহমেদ। অর্থাৎ সব রিক্রুটিং এজেন্সি এবার মালেশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাবেন।

সাত বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৭ সালে ৫ বছর মেয়াদী জি টু জি প্লাস চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকের দেশের ন্যায় বাংলাদেশও সমান সুযোগ সুবুধা পাবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। লাদেশি প\রধ লাইসেন্সধারী সব কর্মী নেয়া শুরু করে মালেশিয়া। কিন্তু তার দেড় বছরের মাথায় সিন্ডিকেট ও বাড়তি অভিবাসন ব্যয়ের অভিযোগে কর্মী নেয়া বন্ধ করে দেয় দেশটি।

২০১৬ সালে করা সেই চুক্তিতে রিক্রুটিং এজেন্সিকে জড়িত করেছিল সরকার। চুক্তি অনুযায়ী মালেশিয়া সরকারকে ১১শ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু নিয়োগের আগে মালেশিয়া সরকার শুধুমাত্র ১০টি এজেন্সিকে বাছাই করে বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধপত্র দেয়। সেবার সব রিক্রুটিং এজেন্সিকে সুবিধা করে দেয়ার জন্যে এই ১০টি এজেন্সির অধীনে কনসোর্টিয়াম করে দেয় সরকার। উল্লেখ্য, সেই ১০ টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে সিন্ডিকেট আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশের হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেবছর কর্মী প্রেরণে নানা অনিয়ম, বাড়তি অভিবাসন ব্যয় এবং বাংলাদেশী কর্মীদের সাথে বৈষম্যে ইত্যাদি ইস্যুতে কর্মী প্রেরণ বন্ধ করে দেয়া হয়। ২০১৬ সালে করা সেই চুক্তির কার্যকারিতা শেষ হয়েছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে।

বিজ্ঞাপন
শুরু থেকেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মালেশিয়ায় কর্মী প্রেরণে এবার কোন সিন্ডিকেট থাকবে না। সব রিক্রুটিং এজেন্সি এবার মালেশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাবেন।
জনাব ইমরান আহমদ , এমপি
জনাব ইমরান আহমেদ
মাননীয় মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়

এরপর কয়েকদফা কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আটকে যায় সিন্ডিকেট ইস্যুতে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে উভয় দেশের ৪টি ওয়ার্কিং গ্রুপের কয়েকদফা বৈঠক হয়েছে। কিন্তু মালেশিয়ার সাথে বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা নিয়ে একমত না হওয়ায় ঐ বৈঠক গুলো স্থগিত করা হয়েছিল।

 

তবে অবশেষে চূড়ান্ত হচ্ছে বিষয়টি। ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশ এবং মালেশিয়ার মধ্যে কর্মী নেয়ার ব্যাপারে সমঝোতা চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী জনাম ইমরান আহমেদ। মন্ত্রী বলেন শুরু থেকেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। কয়েক দফা আলোচনার পর সীমিত সংখ্যক এজেন্সির কাছ থেকে কর্মী নেয়ার শর্ত থেকে সরে এসেছে মালেশিয়া সরকার। তাই এবার বৈধ লাইসেন্সধারী সব এজেন্সিই কর্মী পাঠাতে পারবে মালেশিয়ায়।

 

সমঝোতা চুক্তি সই হলেই অভিবাসন ব্যয় ও সুযোগ সুবিধার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। মন্ত্রী আরো জানিয়েছেন এবার বাংলাদেশের শ্রমিকরা কোন বৈষম্যের শিকার হবে না। কর্মী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে অন্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশও সমান সুযোগ সুবুধা পাবে।

বিজ্ঞাপন
Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.