বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এর অভিবাসন লোন পাওয়ার নিয়ম

1
ছবিঃ প্রবাসী সেবা

বিদেশগামী কর্মীদের বিদেশ যাওয়ার ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অভিবাসন ঋণ বা মাইগ্রেশন লোন দিয়ে থাকে। প্রবাসগামী কর্মীদের সার্বিক কল্যাণের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক আইন – ২০১০ এর মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অনেকগুলো সেবার মধ্যে অন্যতম একটি সেবা হচ্ছে অভিবাসন ঋণ বা মাইগ্রেশন লোন।

অভিবাসন ঋণ বা মাইগ্রেশন লোন এর জন্য বিদেশগামী কর্মী তাঁর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা করার পর প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক মাত্র ৩ (তিন) দিনে অভিবাসন ঋণ বা মাইগ্রেশন লোন মঞ্জুর করে থাকে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ৫০,০০০ এর অধিক বিদেশগামী কর্মীকে অভিবাসন ঋণ প্রদান করেছে।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অভিবাসন ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য না জানার কারণে অনেক বিদেশগামী কর্মী এই ঋণ নিতে নানা ধরণের হয়রানির শিকার হন। আমাদের এই পোস্ট মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ পড়লে আপনি কারো সাহায্য ছাড়াই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অভিবাসন ঋণ নিতে পারবেন। 

নিম্নে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের লোন বা ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া  বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

অভিবাসন ঋণ কি?

বৈধপথে বিদেশ গমণের সময় বিদেশ গমণের বৈধ কাগজপত্র দেখিয়ে বিদেশগামী বাংলাদেশী কর্মীরা ১ থেকে ৩ লক্ষ টাকা অভিবাসন ঋণ নিতে পারেন, যা দুই বছরের মধ্যে ২২ কিস্তিতে পরিশোধ করা যায় । এটাই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অভিবাসন ঋণ নামে পরিচিত। তবে, সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে ১০ কিস্তিতে এক বছরের মধ্যে এই ঋণ পরিশোধ করতে হয়। এই অভিবাসন ঋণের সুদের হার মাত্র %। গ্রেস পিরিয়ড ২ মাস।

এছাড়া, প্রবাসী কর্মীরা দেশে বেড়াতে এসে আবার বিদেশ ফেরত যাওয়ার সময় বিমান টিকিট বাবদ ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা অভিবাসন ঋণ (বিমান টিকেট)  নিতে পারেন, যা এক বছরের মধ্যে ১০ কিস্তিতে পরিশোধ করা যায়। এক্ষেত্রেও ঋণের সুদের হার ৯%। 

বিজ্ঞাপন

কারা এই ঋণ নিতে পারবে এবং এই ঋণ প্রাপ্তির যোগ্যতা কি কি?

০১। আপনাকে অবশ্যই একজন প্রাপ্ত বয়স্ক বা ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে।

০২। আপনি বৈধ পন্থায় কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশ যেতে চান, শুধুমাত্র সেক্ষত্রেই আপনার ভিসার কপি ব্যবহার করে এই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

(এই ব্যাংক শুধুমাত্র কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশগমণকারীদের ঋণ প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ আপনাকে কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশ যেতে হবে। আপনি যদি ভ্রমণ, পড়াশোনা কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিদেশ যেতে চান সেক্ষেত্রে আপনি এই ঋণে জন্য বিবেচিত হবেন না)

০৩। ঋণ অনুমোদনের জন্য আপনার পরিবারের সদস্য কিংবা কোন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে ঋণের জামিনদার করতে হবে। সহজ করে বললে, আপনি ঋণ নিয়ে বিদেশ যাওয়ার পর আপনার পরিবারের সদস্য কিংবা কোন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে ব্যাংকের পাওনা পরিশোধের দায়িত্ব নিতে হবে।

উল্লেখ্য যে, আপনি যাকে জামিনদার হিসেবে নির্বাচন করবেন তাকে অবশ্যই আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি অথবা বেসরকারি চাকুরিজীবী কিংবা সচ্ছল/সামর্থ্যবান ব্যবসায়ী আপনার জামিনদার হলে এই ঋণ পাওয়া সহজ হবে।

আপনার যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো সঠিক থাকে তাহলে আপনি ঋণ গ্রহণের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।

কি ধরণের সমস্যা থাকলে আপনি কোনভাবেই এই ঋণ নিতে পারবেন না?

১. আপনার ভিসাটি যদি অবৈধ বা জাল ভিসা হয়;

২. আপনার ভিসাটি যদি কাজের ভিসা (Working Visa) না হয়ে, স্টুডেন্ট/ভিজিট/টুরিস্ট ভিসা হয়;

৩. আপনার যদি বিএমইটি (স্মার্ট) কার্ড না থাকে;

৪. আপনার বয়স যদি ১৮ বছরের কম বা ৪৫ বছরের বেশী হয়ে থাকে;

৫. আপনি বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক না হয়ে থাকেন;

৬. আপনি যদি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে সম্মত না থাকেন;

৭. আপনি যতি বীমা সুবিধা নিতে অস্বীকৃতি জানান;

৮. আপনি যদি প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র জমা দিতে না পারেন;

৯. আপনি যদি নূন্যতম দুইজন জামিনদার দিতে না পারেন

১০. আপনার যদি অন্যকোন বানিজ্যিক ব্যাংকে নিজ নামে কোন একাউন্ট না থকে।

উপরোক্ত ১০টি বিষয়ে আপনার কোন সমস্যা না থাকলে আপনি ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

ঋণ প্রাপ্তির জন্য আবেদনের প্রক্রিয়া

আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমরা সম্পূর্ণ ঋণ আবেদন প্রক্রিয়াটিকে ৫টি ধাপে ভাগ করেছি।

ধাপ : ভিসা সংগ্রহ

আপনি যদি কোন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় অথবা পরিচিত নিয়োগ কর্তার মাধ্যমে বা কোন রিক্রুয়েটিং এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা পেয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ভিসার ফটোকপি সংগ্রহ করে নিবেন। আপনার ভিসার কপির আপনি অনলাইনের মাধ্যমে বা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের কর্মকর্তার সাহায্যে আপনার ভিসাটি আসল নাকি জাল ভিসা তা যাচাই করে নিবেন ।

(যদি ভিসাটি জাল ভিসা হয় সেক্ষত্রে আপনি ঋণের জন্য বিবেচিত হবেন না।)

ধাপ : ঋণের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ

এই পর্যায়ে আপনাকে ঋণের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং ঋণ আবেদনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।  ঋণের আবেদনের জন্য আপনার যেসব কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে সেগুলো হলো:

    • ভিসার ফটোকপি;
    • আপনার সদ্য তোলা ৪ (চার) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
    • আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) এর ফটোকপি, জাতীয় পরিচয় পত্র না থাকলে জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র (Birth Certificate) এর ফটোকপি;
    • আপনার পাসপোর্ট এর প্রথম দুই পাতার ফটোকপি;
    • পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিকত্ব সনদপত্র এর ফটোকপি;
    • চুক্তিপত্রের ফটোকপি;
    • বিএমএটি কর্তৃক প্রদত্ত স্মার্ট কার্ড (বহির্গমন ছাড়পত্র) এবং প্রশিক্ষণ সনদের ফটোকপি;
    • সম্ভাব্য যাত্রার তারিখ সহ বিমান টিকিটের ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে/যদি থাকে);
    • প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট এর ফটোকপি (যদি থাকে);
    • স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফটোকপি (যদি থাকে);

ধাপ : প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নিকটস্থ শাখায় ঋণের জন্য যোগাযোগ

এই পর্যায়ে আপনাকে আপনার নিকটস্থ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঋণের জন্য যোগাযোগ করতে হবে। আপনার নিকটস্থ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখা সমূহের ঠিকানা জানতে ভিজিট করুন এই লিংকে

আপনার নিকটস্থ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের নিকটস্থ শাখায় উপরে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যোগাযোগ করবেন। ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ আপনার কাগজপত্র সমূহ পরিক্ষা করে আপনার করণীয় সমূহ আপনাকে জানিয়ে দেবে। এই সময় আপনি ব্যাংক কর্মকর্তার সাথে আপনার পছন্দকৃত জামিনদার এর বিষয়ে কথা বলে নিবেন।

সাধারণত ঋণ এর আবেদন করার দিন আপনাকে জামিনদার সহ ব্যাংকে উপস্থিত হয়ে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আপনার নির্বাচিত জামিনদারকে যদি ব্যাংকের পছন্দ হয় তাহলে ব্যাংক কর্মকর্তা আপনাকে নির্দিষ্ট তারিখে জামিনদারসহ ব্যাংকে যোগাযোগ করতে বলবে। 

ধাপ : জামিনদার এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ

ঋণের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আপনার জামিনদার এর যেসব কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে সেগুলো হল:

    • জামিনদার এর সদ্য তোলা ০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
    • জামিনদার এর জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) এর ফটোকপি
    • পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিকত্ব সনদপত্র এর ফটোকপি
    • যে কোন একজন জামিনদার এর বানিজ্যিক ব্যাংক হিসাবের ০৩ (তিন) কপি এমআইসিআর চেকের পাতা।

এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে আপনার ঋণের জামিনদার হওয়ার ব্যাপারে আপনার নির্বাচিত ব্যাক্তির মৌখিক স্বীকৃতি থাকতে হবে। অর্থাৎ তিনি আপনার ঋণের জামিনদার হওয়ার জন্য রাজি থাকতে হবে। আপনি জামিনদার এর স্বীকৃতি না নিয়ে ঋণের আবেদন করতে পারবেন না।

আপনার জামিনদার এর ব্যাংক একাউন্ট এর তিন কপি চেকের পাতা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। আপনি যদি ঋণের পরিশোধ না করেন তাহলে ব্যাংক ঐ চেকের পাতা ব্যবহার করে আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

ধাপ ৫ঃ জামিনদার সহ নিকটস্থ শাখায় গিয়ে ঋণের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা

এই পর্যায়ে আপনাকে ব্যাংকের শাখায় প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র এবং জামিনদার সহ গিয়ে ঋণের জন্য আবেদন করতে হবে। ব্যাংকের শাখায় গেলে ব্যাংক কর্মকর্তা ১৩০ টাকার বিনিময়ে আপনাকে একটি ঋণ আবেদন ফর্ম প্রদান করবেন।  এই ফর্ম পূরণ করে সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে ব্যাংক কর্মকর্তা আপনাকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে এই সাঞ্চয়ী হিসাব তৈরি করে দিবেন। এই সাঞ্চয়ী হিসেবে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখতে হবে।  এরপর ব্যাংক কর্মকর্তা আপনাকে ঋণের চেক প্রদানের তারিখ জানিয়ে দেবেন।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঋণের টাকা নগদে প্রদান না করে দাগকাটা চেকের মাধ্যমে প্রদান হয়। আপনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণের অর্থ বাবদ যে চেক পাবেন তা আপনি যেকোন ব্যাংকের বাধ্যমে ভাঙ্গিয়ে ঋণের টাকা আপনার একাউন্টে নিয়ে নিতে পারবেন। 

বিজ্ঞাপন

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অভিবাসন ঋণের চার্জ ও ঋণের কিস্তি পরিশোধের নিয়মাবলি।

প্রবাসী কল্যাং ব্যাংকের অভিবাসন ঋণের সুদের হার মাত্র ৯% অর্থাৎ শতকরা ৯ টাকা।

আপনাকে যেদিন ঋণের টাকার চেক প্রদান করা হবে সেদিন থেকে ২ (দুই) মাস সময় আপনি গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে পাবেন। অর্থাৎ ঋণের টাকা প্রাপ্তির পর দুই মাস আপনাকে ঋণের কিস্তি প্রদান করতে হবে না। এই ঋণের সর্বোচ্ছ মেয়াদকাল দুই বছর। শুধুমাত্র সিংগাপুর এর ক্ষেত্রে এই ঋণের মেয়াদ এক বছর।

দুই বছরে মোট ২৪ মাসে আপনাকে মোট ২২টি কিস্তির মাধ্যমে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ প্রথম দুই মাস ছাড়া পরে দুই বছর প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কিস্তি হিসেবে ব্যাংকে জমা দিতে হবে।  উল্লেখ্য সিংগাপুর এর ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ এক বছর হওয়ায় ঋণের টাকা ১০ কিস্তির মাধ্যমে এক বছরে পরিশোধ করতে হবে।

সবশেষে, প্রবাসীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অভিবাসন ঋণ এর শর্ত সমূহ এবং আবেদন প্রকৃয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করা হচ্ছে। আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে অভিবাসন ঋণ সম্পর্কে এই পরিপূর্ণ ধারণা দেয়ার চেস্টা করেছি। ঋণ আবেদন প্রকৃয়া সম্পর্কে যেকোন আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার নিকটস্থ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন।

এই লেখার মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অভিবাসন ঋণ পাওয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করেছি। এই ঋণ আবেদন প্রকৃয়াপ্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কতৃক প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করা হয়। তাই এই লেখার কোনও অংশ যদি আপনার ঋণ আবেদনের সময় না মিলে তাহলে কমেন্ট করে বা ইমেইলের মাধ্যমে আমাদের জানানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। আমরা স্বল্প সময়ের মধ্যে লেখাটি হালনাগাদ করার চেষ্টা করবো।

প্রবাসী সেবার সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপন

1 thought on “বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এর অভিবাসন লোন পাওয়ার নিয়ম

  1. আমি কাজের ভিসায় সৌদি যাচ্ছি ২১ তারিখ রাতের সময়ে,
    আমার দুজন জামিনদারসহ সকল কাগজপত্র বৈধ থাকা সত্ত্বেও আমাকে ঋণ দেবেনা বলে সুস্পষ্ট জানিয়েছে ব্যাংক কতৃপক্ষ।
    আমার নিজ এলাকা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক আমাকে ঋণ দিতে চাচ্ছেনা বিধায় আমি আপনাদের একান্ত সহযোগিতা কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বাধিক পঠিত